দিন শেষে আল্লাহর মানদন্ডই চুড়ান্ত বলে গণ্য হয়।।

কোনো এক মাওলানা স্ত্রীকে নিয়ে থ্রি স্টার হোটেলে উঠেছেন। নোংরা রাজনীতির গন্ধ সেখানে গিয়েও লাগল। মাওলানা সাহেব বলছেন তিনি আমার স্ত্রী, আবার স্ত্রীও বলছেন তিনি আমার স্বামী। মাঝখানে কিছু লম্পট বলছে, নাহ। তোমরা স্বামী-স্ত্রী না। আচ্ছা, ওই লম্পটদের কথায় ধরে নিলাম। তারা স্বামী স্ত্রী না। লম্পটগুলো আপাতত লাফাতে থাক।

মজার ব্যাপার হলো, সেই লম্পটগুলোর সাথে আমাদের নাস্তিক ভাইয়েরাও লাফাতে লাগলেন। এমন কি নাস্তিক গুরুরাও লাফানো শুরু করলেন। কেন ভাই, আপনাদের লাফানোর কী আছে? আপনারাই তো সারাজীবন মানুষকে 'কন্সেন্ট ভিত্তিক যৌনতার' সবক দিলেন! কন্সেন্ট ভিত্তিক যৌনতার মতো নোংরা পরিভাষার আবির্ভাব করলেন! তাহলে আজ কেন সেখান থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন!? সেই মাওলানার সাথে থাকা মহিলাটির তো কোনো অভিযোগ ছিলো না। তারা দু'জন পরস্পর সম্মতি নিয়েই হোটেল বুকিং দিয়ে ছিলেন!
এখান থেকে নুঝতে পারি, মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা নৈতিকতার যে মানদন্ড নির্ধারণ করেছেন সেটাই মানব জাতির জন্য কল্যাণ। এবং দিন শেষে সেটাকেই মেনে নিতে হয়।
পাশাপাশি সেকুলারিজম চরমভাবে চর্চা করেন যারা, তারা কেন লাফাচ্ছেন! আপনাদের মতো মাথামোটাদেরকে পিনাকিনী ভট্টাচার্যের একটা লেখা গিলিয়ে দিলাম___ওহে স্যেকুলার পৌত্তলিক; মন দিয়া শোনেন।
মামুনুল হকের একশোটা গার্ল ফ্রেন্ড থাকুক তাতে আপনার সমস্যা কী? আপনি তো স্যেকুলার বলে নিজেকে দাবী করেন। সমস্যা হইলে মামুনুল হকের বৌয়ের হইবে। চিল্লাইলে উনার বৌ চিল্লাইবেন। আপনি তো মামুনুল হকের বৌ লাগেন না, আপনি চিল্লান কেন?
নাকি আপনারেও মামুনুল হক বিয়া করছিলেন। করলে কইয়া ফালান, দেখি একটা ফয়সালা করে দিমুনি।

লেখক, আব্দুর রাজ্জাক
নাস্তিকতার মূলোৎপাটন

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ