supermoon

 

রাত এখন ১২:১০। বৃষ্টির টপটপ সুর রাতের গভীরতাকে যেন আরো বাড়িয়ে দিচ্ছে। জানালার পাশে বসে বৃষ্টি দেখছি। কী অদ্ভুত সুন্দর প্রকৃতি! বাতাস এসে গাছগুলোকে নুয়ে দিচ্ছে। গরমের শহর যেন মুহূর্তেই শীতল হয়ে গেলো। দেহের ক্লান্তিরও যেন অবসান ঘটল।

চাঁদটাকে বেশ কাছে মনে হচ্ছে। চাঁদ যখন পৃথিবীর কাছাকাছি থাকে তখন তাকে supermoon
বলা হয়। কাছে থাকার কারণে চাঁদটাকে অনেক বড় দেখাচ্ছে। চাঁদের রংটাও বেশ হলদে। এমন হলদে রং-এর চাঁদকে নাকি Egg Moonও বলা হয়। তো যাই বলা হোক। চাঁদটাকে আজ বেশ দেখাচ্ছে। মনে হচ্ছে বৃষ্টির পানিতে খানিকটা গোসল করে নিয়েছে।
যাই হোক। আমি ভাবছি ভিন্ন কিছু। গরমে আধমরা মানুষজন। অস্থির হয়ে ছিলো এমন একটু বৃষ্টির জন্য। ঠাণ্ডা, শীতল একটু বাতাসের জন্য। ঠিক সময় মতো তা পেয়ে গেলো।
এই যে রাতে জ্যোৎস্নার আলো। কতো সুন্দর করে তুলেছে পৃথিবীকে। কতো মনোমুগ্ধ করে তুলেছে পরিবেশকে। চাঁদটা তো নাও থাকতে পারত পৃথিবীর আশেপাশে। কিন্তু না। সে আছে।
আচ্ছা, এই এত কিছু কি সব এমনি এমনি হয়েছে! এমনি এমনি কি প্রয়োজনে আকাশ থেকে বৃষ্টি পড়ে। টপটপে সুরে মাতিয়ে তোলে পরিবেশকে। জ্যোৎস্নার মৃদু আলোয়
পৃথিবীটাকে এতো সুন্দর লাগছে!
এসব কিছুর পিছনে কি কারো হাত নাই! কোনো নিপুণ কারিগরের ছাপ নাই!!
তাহলে কেন, সেই নিপুণ কারিগরের কাছে আমরা ফিরে আসি না?

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ