মানুষের ইচ্ছার স্বাধীনতা নিয়ে আজকাল বেশ বিতর্ক হচ্ছে। তবে যাদের তরফ থেকে হচ্ছে তা খুবই লজ্জাজনক। কোরআনে একটি আয়াত আছে যা এখানে খুবই প্রাসঙ্গিক।- 'আল্লাহর কাছে প্রচন্ড নিন্দনীয় তার কথা যে অপরকে উপদেশ দিয়ে সেই কথায় নিজেই আমল করে না।'
আজকাল মানুষ কী কিনবে কী পড়বে?এ নিয়ে নাস্তিক পাড়ায় বেশ হৈচৈ হচ্ছে। হৈচৈটা এজন্য নয় যে, মানুষ নিজেদের ইচ্ছা অনুযায়ী করতে পারছে না। বরং এজন্য যে, মানুষ কেন নিজেদের ইচ্ছা অনুযায়ী করছে!?
তাদের তো এই স্বাধীনতা থাকার অধিকার কথা নয় যে, তারা সেচ্ছায় ইসলামিক, নৈতিক মূল্যবোধের বই পড়বে। বরং অনিচ্ছা সত্ত্বেও যদি নাস্তিকতা চর্চা করে কিম্বা মূল্যবোধ পরিপন্থী বই পড়ে সেটাই তো প্রকৃত স্বাধীনতা হওয়া উচিৎ।
তাদের হৈচৈ থেকে এটাই স্পষ্ট। তারা সবসময় ব্যক্তিস্বাধীনতার যেই গান গেয়ে এসেছে নিজেরাই এখন সেই সুরে তাল মেলাতে পারছে না।
শুধু কি পাঠক, তারা এখন প্রকাশনার দিকেও আঙ্গুল তুলছে। আকার ইঙ্গিতে বলতে চাচ্ছে কেন তারা ইসলামিক বই কে প্রমোট করছে? এমনকি প্রকাশ করার ব্যপারেও আপত্তি তুলছে। সব বিষয়ে আপত্তি করা তাদের স্বভাব। তা নিয়ে আমরা অবাক হচ্ছি না। কিন্তু আপত্তিটা ব্যক্তিস্বাধীনতার উপর আসবে তা ভাবিনি।
যাইহোক মানুষ কেন তাদের বই পড়ছে না, কেন তাদের কথা শুনছে না, এটাও আমাদের দোষ। তাদের নৈতিকতা এটাই বলে। তবে যুক্তি দিয়ে যেটা হাসিল করা যায় না। তা গোঁড়ামি করে আদাই করতে হয় এটা প্রমাণ করলো তারা।
"তারা মুখের ফুঁৎকারে আল্লাহর আলো নিভিয়ে দিতে চায় কিন্তু আল্লাহ তাঁর আলোকে পূর্ণতা বিধান করবেনই যদিও কাফেররা তা অপছন্দ করে"।(সূরা: আস সাফ, আয়াত-০৮)
রবিউল ইসলাম, এক্টিভ নাস্তিকতার মূলোৎপাটন

0 মন্তব্যসমূহ