আরজ আলী মাতুব্বর সমাচার -১
আরজ আলী বঙ্গীয় মূত্রমনা নাস্তিকদের একজন মনীষী।মূত্রমনাদের কাছে উনি একাধারে ইতিহাসবিদ, দার্শনিক আবার বিজ্ঞান ও ধর্মেও রয়েছে নাকি অগাধ পাণ্ডিত্য! যদিও কলেজ কিংবা ভার্সিটির বারান্দায় পাড়াও দিয়ে দেখেননি আরজ আলী। তবুও তিনি মূত্রমনাদের মনীষী এবং এতএত টাইটেলের অধিকারী। তাতে অবশ্য আমাদের আপত্তি নেই। একজন মানুষ কলেজ কিংবা ভার্সিটিতে না পড়েও কোনো বিষয়ে পাণ্ডিত্য অর্জন করতে পারে। এবং উক্ত বিষয়ে সে আলোচনা কিংবা লেখালেখিও করতে পারে৷ তবে প্রশ্ন হলো, আরিফ আজাদ বিজ্ঞানের ছাত্র নয়। তাই আরিফ আজাদ কেন বিজ্ঞান নিয়ে আলোচনা করলো! কেন বিজ্ঞান নিয়ে লিখতে গেল! এ নিয়ে মূত্রমনাদের বিরোধিতার অন্ত নেই। একজন প্রকৃত মুক্তমনা মানুষ তো কখনোই এটা করার কথা ছিলো না। এই ডাবল স্ট্যান্ডার্ড নীতি গিলারও কথা ছিলো না। আসলেই তাদেরকে মুক্তমনার পরিবর্তে মূত্রমনা বলাই যথার্থ হয়েছে।
যারা নাস্তিকতা নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করেনে তারা হয়তো নাস্তিকদের থেকে এ কথা শুনে থাকবেন 'মুসলিমরা কেন অধিক সন্তান নেয়' সে জন্য মূত্রমনা নাস্তিকদের চুলকানিও বেশ আছে। কিন্তু বেচারা আরজ আলী একাই ১০টা পয়দা করেছে৷ মানে ১০ সন্তানের জনক। তবুও তিনি মূত্রমনাদের মনীষী। এ নিয়ে মূত্রমনাদের কোনো অভিযোগ নেই। মনীষী বলে কথা।
আরজ আলী ছিলেন উগ্রবাদী মনমানসিকতার লোক। শৈশবে তার মায়ের মৃত্যু হয়ে ছিলো। কোনো এক কারণে গ্রামবাসী তার মায়ের নামাজে জানানা পড়েননি। এই জিদে মাতুব্বর সাহেব শেষপর্যন্ত নাস্তিক হয়ে যান।
এই লোকটি কয়েকটি বইও লিখে ছিলেন। প্রতিটি বইয়ের পাতায় পাতায় হাস্যকর ও বাচ্চা টাইপের লজিক আর প্রশ্ন আছে। আমরা সেগুলো নিয়ে ধারাবাহিকভাবে লিখব। 'আরজ আলী মাতুব্বর সমাচার' এ শিরোনামে লেখাগুলো আসছে।

0 মন্তব্যসমূহ