কোরআনের আয়াত কি পরস্পর সাঙ্ঘর্ষিক?? নাকি এগুলো নাস্তিকদের অপজাইট জ্ঞানহীনতা??


 

১/
سَابِقُوا إِلَىٰ مَغْفِرَةٍ مِّن رَّبِّكُمْ وَجَنَّةٍ عَرْضُهَا كَعَرْضِ السَّمَاءِ وَالْأَرْضِ أُعِدَّتْ لِلَّذِينَ آمَنُوا بِاللَّهِ وَرُسُلِهِ ۚ ذَٰلِكَ فَضْلُ اللَّهِ يُؤْتِيهِ مَن يَشَاءُ ۚ وَاللَّهُ ذُو الْفَضْلِ الْعَظِيمِ
(আল হাদীদ - ২১)
২/
وَسَارِعُوا إِلَىٰ مَغْفِرَةٍ مِّن رَّبِّكُمْ وَجَنَّةٍ عَرْضُهَا السَّمَاوَاتُ وَالْأَرْضُ أُعِدَّتْ لِلْمُتَّقِينَرَةٍ مِّن رَّبِّكُمْ وَجَنَّةٍ عَرْضُهَا كَعَرْضِ
(আল ইমরান - ১৩৩)
প্রশ্নঃ নাস্তিকরা এই উভয় আয়াত নিয়ে ঢালাওভাবে প্রচার করে বেড়ায় যে কোরআনের আয়াত পরস্পর স্বাঙ্ঘর্সিক। জান্নাতের প্রশস্ততার ব্যপারে কোরআন দুই কথা বলে। এক জায়গায় এক আসমান আরেক জায়গায় বহু আসমান। অর্থাৎ আসমান শব্দটি ব্যবহার করতে কোরআন এক জায়গায় একবচন অন্য জায়গায় বহুবচন ব্যবহার করেছে। - রায়হান আহমাদ।
উত্তরঃ নাস্তিকদের কিছু দুর্বলতা আছে, আত্নগোড়ামির কারণে যার অনুভূতি তাদের অনুভূত হয় না। তন্মধ্যে সবচেয়ে বড় হলো অপজাইট জ্ঞানহীনতা। প্রতি পক্ষীও ব্যাসিক জ্ঞানটুকুও না থাকা। যার বহিঃপ্রকাশ নাস্তিকদের এই শিশু সুলভ আপত্তি। উপরে উল্লেখিত দাবিটা হলো,কোরআনের এই আয়াতে السماء শব্দটি একবচন ব্যবহৃত হয়েছে, এবং অমুক আয়াতে السماوات বহুবচন ব্যবহৃত হয়েছে। এটা কি সাঙ্ঘর্সিক না। - রায়হান আহমাদ।
এই আপত্তি নিঃসন্দেহে কপি করা। কারণ নিজের পায়ে নিজে কে কুড়াল মারে বলুন!!
যে শব্দটাকে তারা একবচন ভেবে ভুলের এই মহা অট্টালিকা নির্মান করেছে তার ভিত্তি যে মহা শুন্যে সে খবর তাদের থাকার কথাও না।
আরবি মিডিয়ামের প্রাথমিক পর্যায়ের একটি বাচ্চাও বলে দিতে পারবে, একবচনের নিয়মাবলী। السماء শব্দটি (ال) যুক্ত। আর(ال) যুক্ত কোন শব্দ যে কোখনোই একবচন হয় না সেটা এই মূর্খদের বুঝাই কী করে?
তবুও বলছি......(ال) শব্দটি প্রধানত চার জায়গায় ব্যবহৃত হয়। এখানে ال جنسی (জাতিবাচক অব্যয়) হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। অর্থাৎ السماء শব্দটি এখানে জাতিবাচক। যেমন একটি কলম একবচন। এর অধিক বহুবচন। কিন্তু আমি কলম পছন্দ করি। এখানে কলমটি না একবচন না বহুবচন। বরং জাতিবাচক।
এজন্যই বলি.......... আদার বেপারিদের জাহাজের খবর না নেওয়াই ভালো।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ