ইসলামে তো যুদ্ধবন্দী দাসী সেক্স বৈধ? মুসলিম সেনারা তো যুদ্ধবন্দী দাসী সেক্স করতো? ইত্যাদি।
একজন নাস্তিকের সাথে যখন আপনি চলবেন। তখন ঘুরেফিরে এই কথাগুলো সে বলবে। শুধু বলবে না, বলতেই থাকবে৷
কিন্তু আদতে কি ইসলামে বিষয়টা এমন! একটি ব্লগে দেখলাম, ''যুদ্ধ করে অসহায় নারীদেরকে তুলে এনে সেক্স করাকে ইসলাম বৈধ বলে। আবার এটাও বুঝানো হয়েছে, যুদ্ধ পরাজিত এলাকার মেয়েদেরকে তুলে আনাও বৈধ।"
কী সাংঘাতিক অপপ্রচার! কী জঘন্য মিথ্যাচার!! নাস্তিকতাবাদকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য নাস্তিকরা এতোটা অজ্ঞ হয় কিভাবে!? এতোটা জ্ঞানহিনতার পরিচয় দেয় কী করে!?
কোনো এলাকা বা ভূখন্ড জয় করলেই সে এলাকার নারীদেরকে তুলে আনা বা সেক্স করা বৈধ কোথায় পেলেন?
নাস্তিকরা যদি বলতেন, 'যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী' মহিলাদের সাথে সেক্স করা বৈধ। তারপরও তো অনেক কথা থেকে যেত৷
যেমন:১/ যুদ্ধের আগে যদি উভয়দল চুক্তিবদ্ধ হয় যে, যুদ্ধবন্দীদের ছেড়ে দিতে হবে। তাহলে যুদ্ধবন্দী নারীর সাথে সেক্স করা সম্পূর্ণ হারাম৷
২/ যুদ্ধবন্দী নারী যদি গর্ভবতী হয়। তার সাথে সেক্স করা সম্পূর্ণ নিষেধ।
৩/ স্বামী থাকলে ইদ্দতের পূর্বে সেক্স অবৈধ।
সর্বশেষ নাস্তিকদের একটিই গান,আর ঘেনঘেন যুদ্ধবন্দী দাসী সেক্স তো বৈধ। হ্যাঁ বৈধ। যদি অবৈধ হতো তাহলেও আপনাদের প্রশ্ন থাকতো। সমালোচনা থাকতো। তখন কি বলতেন জানেন, ইসলাম কী অমানবিক! একজন যুবতী মেয়েকে বছরের পর বছর কোনো মুসলিম সেনার কাছে রাখা হচ্ছে। ( আগে বন্ধিশালা ছিলো না। তাই দাসী হিসাবে মুসলিম সেনার কাছে রাখা হতো)
কিন্তু তার শারিরীক চাহিদার পুরণের কোনো সুযোগ রাখা হয়নি!
যাহোক। আরেকটি কথা, বৈধতা মানে বিধান নয়। বিধান এক জিনিস আর বৈধতা আরেক জিনিস। যেমন: ঘাষ খাওয়া ইসলামে বৈধ, বিধান নয়। তাই একজন মুসলিম চাইলে ঘাষ খেতে পারে আবার না-ও পারে। তদ্রূপ দাসী সেক্স করাও বৈধ, বিধান নয়।
আর এমন-ই দৃষ্টান্ত রেখে যাচ্ছেন আফগান মুসলিম যোদ্ধারা।
সর্বশেষ যে কথাটা, ইসলামকে কাটছাট না করে পরিপূর্ণ জানুন। ইনশাআল্লাহ ইসলাম গ্রহণ আপনাকে করতেই হবে। যদি হটকারিতায় না-ও করেন, তবে ইসলামের বিরুদ্ধে আপনাকে পাওয়া যাবে না।
______________
লেখক, আব্দুর রাজ্জাক।
অ্যাকটিভ নাস্তিকতার মূলোৎপাটন।

0 মন্তব্যসমূহ