ফ্রান্সে রাষ্ট্রীয়ভাবে রহমতের নবীর ব‍্যাঙ্গচিত্র প্রদর্শন! সকল সৃষ্টিজীবের অভিশাপ তোমাদের উপর


সত্যকে ফেইস করার সাহস থাকতে হয়। ব্যাঙ্গ বিদ্রূপ করে যারা সত্যকে ধামাচাপা দিতে চায়,

তারা মানুষের কাতারে পড়ে না। ফ্রান্স, জার্মান আমেরিকা, প্রায় প্রত্যেকটি পশ্চিমা দেশের আজ এই হালাত। প্রতিনিয়ত তারা ইসলামকে নিয়ে মুহাম্মদ (স) কে নিয়ে রাষ্টীয় ভাবে ব্যাঙ্গ-বিদ্রূপ করে যাচ্ছে। তারপরও তারা সভ্য। তাদের ডিক্সনারিতে হয়তো সভ্যতার অন্য অর্থ। হতেও পারে!
একটু পর্যবেক্ষণ করলেই দেখতে পাবেন, তথাকথিত যত প্রগতিশীল দেশ রয়েছে। তারা রাষ্ট্রীয় ভাবে ইসলামের বিভিন্ন অপপ্রচার থেকে শুরু করে ব্যাঙ্গ বিদ্রূপ ইত্যাদি করে থাকে। তাদের মূল টার্গেট থাকে- ইসলামকে নিয়ে যেন কোন নাগরিকের এনালাইসিস করার আগ্রহ-ও না জাগে। তার পূর্বেই ইসলামের ব্যাপারে একটা নেগেটিভ ধারণা ঢুকিয়ে দেয়া। এখন তা অপপ্রচারের মাধ্যমে হোক কিম্বা ব্যাঙ্গ-বিদ্রূপের মাধ্যমে।
কেননা তারা তো ভুক্তভোগী। তারা দেখেছে অতি সাধারণ থেকে নিয়ে বিভিন্ন বিজ্ঞানীরা পর্যন্ত ইসলামের প্রতি প্রভাবিত হয়ে ইসলাম গ্রহণ করছে। তাই গালি-গালাজ ব্যাঙ্গ-বিদ্রূপ করে হলেও যে নিজ মতবাদ রক্ষা করতে হবে। যুক্তি-বুদ্ধির থলি যে তাদের, ফুরিয়ে গেছে।

রবিউল ইসলাম, এক্টিভ নাস্তিকতার মূলোৎপাটন।



একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ